২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ১৯ম সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ০৭মে – ১৩মে ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 19th issue: Berlin, Sunday 07 May – 13 May 2017

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় ইইউ

ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদোন

প্রতিবেদকঃ ডয়েচে ভেলে তারিখঃ 2017-05-10   সময়ঃ 10:46:21 পাঠক সংখ্যাঃ 210

বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৷ তাদের আশা, ২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে৷বাংলাদেশের প্রধান দু'টি রাজনৈতিক দলও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে৷
আজ ৯ মে ‘ইউরোপ দিবসের' আগে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদোন বলেন, ‘‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৈশ্বিক এজেন্ডা হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করে৷''
তিনি বলেন, ‘‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ কাম্য৷ আর এজন্য আগামীতে সব ধরণের  রাজনৈতিক প্রক্রিয়া অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা করি৷'' তিনি আশা করেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করতে ইইউ'র যে এজেন্ডা তাতে বাংলাদেশ সাড়া দেবে৷''
তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ২০০১ সালে ইইউ'র চুক্তির উল্লেখ করে বলেন, ‘‘চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি বলে অভিহিত করা হয়েছে৷''
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বের যে কোনো দেশেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে সমস্যা থাকে৷ আমি যদি বলি- এখানকার পরিস্থিতিতে আমি খুবই খুশি, তবে আপনারা হয়তো কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবেন না৷''
হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারের এখনকার সম্পর্ককে ইতিবাচক উল্লেখ করে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘‘অংশগ্রহণমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত৷ সমাজের কোনো অংশকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত নয়৷''
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে ইইউ দূতের আগ্রহের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি'র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা ২০১৪ সালের ৫ জানুযারির নির্বাচনের আগে থেকেই সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কথা বলে আসছি৷ সেটা তখন হয়নি বলেই আমরা নির্বাচনে যাইনি৷ এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, এ দেশে নির্বাচনে অংশ নেয়ার মতো পরিবেশ পরিস্থিতি নেই৷'' দুদু বলেন, ‘‘বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল৷ বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে ছিল, বিরোধী দলেও ছিল৷ বিএনপি চায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন৷ আর তার জন্য বিএনপি একটি নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলছে৷ কারণ, দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়৷''
বিএনপি'র এই নেতা আরো বলেন, ‘‘চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে এখন অসংখ্য মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে হয়৷ এই একই ধরণের মামলা কিন্তু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও আছে৷ কিন্তু তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেও মন্ত্রীত্ব যায় না৷ এটা তো সমতা নয়৷ নির্বাচনের জন্য তাই সমতা প্রয়োজন৷''
তবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘‘আমরা সব সময়ই চাই দেশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন৷ আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী৷ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ( ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি ) দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল যাতে অংশ নেয়, আমরা সে চেষ্টা করেছিলাম৷ আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারপার্সন <AUDIO বেগম খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, নিজে টেলিফোন করেছিলেন নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনার জন্য৷ কিন্তু তারা নির্বাচনে আসেননি৷ ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলেন৷ ভুল সিদ্ধান্তের কারণে নির্বাচন থেকে সরে গিয়েছিলেন৷ আর এই ভুল সিদ্ধান্ত  জাস্টিফাই করার জন্য তারা সহিংসতা চালিয়েছে৷''
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘‘আমরা দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা চাই৷ আর এজন্যই চাই সব দল নির্বাচনে অংশ নিক৷ আমরা আশা করি, বিএনপি তার অতীতের ভুল বুঝতে পেরে সামনের নির্বাচনে অংশ নেবে৷''

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের প্রাইমারি ও মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়েছে জানুয়ারি ২০১৭ তে বিতরণকরা নতুন বইয়ে অদ্ভুত সব কারণ দেখিয়ে মুক্ত-চর্চার লেখকদের লেখা ১৭ টি প্রবন্ধ বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ইসলামী মৌলবাদী লেখা যোগ হয়েছে, আপনি কি এই পুস্তক আপনার ছেলে-মেয়েদের জন্য অনুমোদন করেন?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ