১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ৪২শ সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ১৫অক্টো – ২১অক্টো ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 42nd issue: Berlin,Sunday 15Oct - 21Oct 2017

কাটালুনিয়ার সংকট থেকে ইউরোপের শিক্ষা নেয়া উচিত

ইউরোপের ভূমিকা

প্রতিবেদকঃ ডয়েচে ভেলে তারিখঃ 2017-10-18   সময়ঃ 07:09:59 পাঠক সংখ্যাঃ 44

কাটালুনিয়ার স্বাধীনতার দাবিতে তৈরি হওয়ার সংকট সামাল দিতে এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থায় আছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাখোই৷ কিন্তু এই সংকট থেকে ইউরোপের শিক্ষা নিতে হবে বলে মনে করেন ডয়চে ভেলের বারবারা ভেসেল৷

বার্সেলোনার পরিস্থিতি এখন এমন, যা অসহায় মানুষের অনুভূতি মনে করিয়ে দেয়৷ ক'দিন আগেই ঐ শহরে পুলিশের সঙ্গে স্বাধীনতাপন্থিদের সংঘর্ষ হয়েছে৷ স্বাধীনতা বিরোধীরাও সেখানে বিক্ষোভ করেছে৷ কিন্তু তারপর কী? কাটালুনিয়ার প্রেসিডেন্ট কারলেস পুজেমন এখন সময়ক্ষেপণ করছেন৷ মাদ্রিদও কোনো ছাড় দিচ্ছে না৷ উলটো স্বাধীনতাকামী শীর্ষ দুই নেতাকে সোমবার কারাদণ্ড দিয়েছেন স্পেনের এক আদালত৷ তাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করে কাটালুনিয়ার নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোরত পুলিশকে বাধা দিতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ৷

অক্টোবরের শুরুতেকাটালুনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে৷ বার্সেলোনার আঞ্চলিক সরকার স্বাধীনতাকামীদের অনুভূতি অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে৷ কার্লেস পুজেমন ও তাঁর সঙ্গীরা যে স্পেন সরকারের বিরুদ্ধে ফ্যাসিজমের অভিযোগ এনেছে, তা হাস্যকর৷

ইউরোপের অন্য দেশের সরকারগুলোকে ভাবতে হবে কীভাবে কাটালুনিয়ার পরিস্থিতি আয়ত্ত্বের বাইরে চলে গেল৷ পপুলিস্ট মুভমেন্টকে উপেক্ষা করা ও তাদের দাবি ছুড়ে ফেলে দেয়া কখনও সহায়ক হতে পারে না৷ কারণ এর ফলে তারা মনে করতে শুরু করে যে, যা করার নিজেদেরই করতে হবে৷ স্পেনেও তাই হয়েছে৷ প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাখোইয়ের কঠোর মনোভাব কাটালুনিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের উসকে দিয়েছে৷ এক্ষেত্রে ব্রিটেন গণতান্ত্রিক উপায়ে ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার দাবি সামাল দিয়েছে৷

ইউরোপের ভূমিকা

 

কাটালুনিয়ার স্বাধীনতার সমর্থকরা মনে করেছিলেন, ইউরোপ হয়ত একসময় তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানাবে৷ কিন্তু এটি ছিল শিশুদের মতো ভাবনা৷ স্বাধীনতাকামীরা খুব ভুল হিসেব করেছিলেন৷ কারণ বিভিন্ন দেশের জাতীয় সরকার নিয়ে ইইউ গঠিত৷ ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমর্থন জানানোর কোনো কারণ নেই ইইউর৷ ব্রাসেলসের কোনো প্রতিনিধি সংকটের সমাধান করতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আসবে – এমনটা ভাবা অকল্পনীয়৷

<বারবারা ভেসেল, ডয়চে ভেলে

তবেকাটালুনিয়ার সংকট থেকে ইইউ নেতাদের শিক্ষা নিতে হবে৷ কারণ পপুলিজম বিষয়টি ভবিষ্যতেও থাকবে৷ অস্ট্রিয়ার নির্বাচনের ফলাফল তার আভাস দিচ্ছে৷ ফলে পপুলিজমের উত্থান সম্পর্কে আগাম খবর পেতে ইউরোপীয় স্তরে একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই জাতীয় সরকারগুলোকে নিজেদের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসতে হবে৷ এভাবে একত্রে কাজ করতে না পারলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পপুলিজম, ইসলামোফোবিয়া, ব্রেক্সিট – এ সবের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে৷ এবং এতে করে ইউরোপের অস্তিত্বই সংকটে পড়তে পারে৷

বারবারা ভেসেল/জেডএইচ

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ