২১ এপ্রিল ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ৫১শ সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ১৭ডিসে–২৩ডিসে ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 51st issue: Berlin,Sunday 17Dec-23Dec 2017

Heinrich Böll zu Ehren - হাইনরিখ ব্যোল এর সম্মানে

কথাসাহিত্যিক হাইনরিখ ব্যোল এর জন্ম শতবার্ষিকী

প্রতিবেদকঃ Lutz Goetze তারিখঃ 2017-12-22   সময়ঃ 05:06:36 পাঠক সংখ্যাঃ 376

Heinrich Böll hätte am 21. Dezember seinen einhundertsten Geburtstag gefeiert. Kölner, Rheinländer, Katholik und Sohn eines Tischlers, war es ihm nicht in die Wiege gelegt, einmal zu den ganz Großen der deutschen Nachkriegsliteratur emporzusteigen. 1985 ist er in seinem Haus in der Eifel gestorben.


Böll entsprach so überhaupt nicht dem Bilde eines Deutschen, wie es gelegentlich im Ausland – im Regelfall zu Unrecht – gemalt wird: Kadavergehorsam, erhobener Zeigefinger, Moralapostel und ohne Humor. Wer ihn bei einer seiner unzähligen Lesungen oder seinen engagierten Auftritten 1981 bei der Friedensdemonstration im  Bonner Hofgarten oder 1983 bei der Sitzblockade gegen die Pershing 2 - Raketen  vor dem US-Militärstützpunkt in Mutlangen erlebt hat, kannte ihn besser: ein Mann der leisen  Töne, nichts weniger denn besserwisserisch, voller Mitempfinden für menschliches Leid, Gerechtigkeit einfordernd, im Gesicht häufig ein verschmitztes Lächeln. Böll war, alles in allem, ein Humanist bester alter Schule.


Der Krieg hatte ihn geprägt. Infanterist an der Westfront, hatte er die Gräuel bitter erfahren, ehe er 1945, aus englischer Kriegsgefangenschaft entlassen, in die Heimatstadt zurückkehrte. Seine frühen Erzählungen der Trümmerliteratur „Der Zug war pünktlich“ (1949), „Wanderer, kommst du nach Spa…(1950)“ und andere bezeugen einen Pazifismus der vollkommenen Aufrichtigkeit, der sich dem bald wieder aufflammenden Wollen der Adenauer-Regierung, eine Militarisierung Westdeutschlands voranzutreiben, vehement entgegenstellte. Im großen Roman „Billard um halb Zehn“ setzte er, wenige Jahre später, die Auseinandersetzung mit der deutschen Geschichte der ersten Hälfte des Jahrhunderts am Beispiel der Familie Fähmel fort: eine bittere Abrechnung mit Revanchismus und Faschismus aus der Sicht eines Opfers, das nötig ist, um die Welt zu retten.


Schon früh hatte er mit seinem christlichen Glauben, vor allem aber mit dem katholischen Klerus, gerungen: deutlich im „Brief an einen jungen Katholiken“ von 1958 und endend 1976 in seinem Austritt aus der katholischen Kirche, die er ob ihrer Hoffart und Heuchelei verurteilte.


Bölls Ruhm wuchs, gipfelnd in der Verleihung des Nobelpreises 1972. In seiner Dankesrede bekannte er sich zur deutschen Sprache, die ihm die Schmach der braunen Vergangenheit  zu überwinden half: „ Der Rest war Eroberung der Sprache in dieser Zurückverweisung an das Material, an diese Hand voll Staub, die vor der Tür zu liegen schien und doch so schwer zu greifen und zu begreifen war.“


Im Januar des gleichen Jahres war im Spiegel Bölls Aufruf „Will Ulrike Gnade oder freies Geleit“ erschienen, in dem er sich mit der Baader-Meinhof-Gruppe auseinandersetzte und für die Meinhof einen fairen Prozess forderte. Zugleich attackierte er die Springer-Presse, vornehmlich „BILD“, „nackten Faschismus, Verhetzung, Lüge, Dreck“ in der Berichterstattung auszubreiten. Nie hat ein Artikel des Hamburger Nachrichtenmagazins einen solchen Aufruhr erzeugt wie dieser: Geballt fielen Teile von Politik und Journalismus über Böll her und bezeichneten ihn als „Linksfaschisten“, der auf einer Stufe mit den geistigen Schrittmachern der Nazis stehe. Die Zahl seiner Gegner wuchs dramatisch, jene seiner Freunde und Unterstützer schwand beinahe stündlich. 


Vor wenigen Tagen erst ist ein Brief Bölls an den Mitbegründer der „Rote Armee Fraktion“ (RAF), Horst Mahler, erschienen, der ihm, im Februar 1972, aus der Haft Liberalismus und Schönfärberei vorgeworfen hatte. Böll plädiert  für Gewaltfreiheit und damit gegen den Terror der RAF: „ Seit Jahrhunderten haben die Versuche, die Menschen gegen ihren Willen glücklich zu machen, viele Millionen Menschenleben gekostet…Das Streben zur eigenen Freiheit darf die Freiheit der andren nicht gefährden. Denn sonst führt dieses Streben direkt zur Diktatur und zum Tod jeglicher Freiheit.“


Professor Dr. Lutz GötzVon 1971 bis 1974 war Heinrich Böll Präsident des Internationalen PEN und half in diesen Jahren wie auch später, rund um den Globus, unzähligen Schriftstellern, die verfolgt, inhaftiert oder vom Tode bedroht waren. Sein Briefwechsel mit dem russischen Regimekritiker Lew Kopelew mag dies, pars pro toto, bezeugen.
Ein ethischer Mahner wie Heinrich Böll fehlt heute schmerzlich: in Diktaturen wie in Demokratien. 
 
 
Professor Dr. Lutz Götze

 

 

 

 

হাইনরিখ ব্যোল এর সম্মানে

লুৎজ গোটজ

কথাসাহিত্যিক হাইনরিখ ব্যোল বেঁচে থাকলে এবছর ২১ ডিসেম্বর একশততম জন্মদিন পালন করতেন। রাইনল্যান্ড এর কোলন শহরে এক ক্যাথলিক পরিবারে তাঁর জন্ম এবং একটি ছুতার মিস্ত্রীর ছেলে তিনি । তিনি জার্মান যুদ্ধোত্তর সাহিত্যর জাদুকরী লেখকদের মধ্যে অন্যতম। এই মহান কথাসাহিত্যিক ১৯৮৫ সালে এইফেলে তার বাড়িতে মারা যান।

ব্যোল এর চারিত্রিক আচরণ সাধারণ জার্মান দের চেয়ে অন্যরকম ছিলো, যেটি মাঝে মাঝে বিদেশে ব্যোল এর সাহিত্যকর্ম এর সাথে - জার্মান ভাবমূর্তি - সাধারণত ভুলভাবে আঁকা হয় (এমনকি ব্যোল দ্বিতীয়মহাযুদ্ধে অংশগ্রহণ এর জন্য বহুল সমালোচিতও হন)

অন্ধ আনুগত্য নয় বরং সমাজে আঙুল উঠিয়ে বিরাম হীন কট্টর নীতিবাগীশ এবং রসবোধের অভাব তার লেখায় প্রভাব ফেলে। তার অগণিত রিডিং বা লেকচার বক্তিতায় ৮০ র দশকে মার্কিন বিরোধি আন্দলন, বন শহরেরর ১৯৮১ সনের বিশ্বশান্তি জন্য বিক্ষোভ আথবা ১৯৮৩ সালে জার্মানির মার্কিন সামরিক বেস এর সামনে মার্কিনী সমরাস্ত্র পারসিং ২ বিরুদ্ধে অবস্থান ধর্মঘট, তিনি একজন নরম মনের মানুষ, প্রায়শই প্রকাশ পায় যেন কিছুই জানেন না, মানব সমাজের জন্য সহানুভূতি, ন্যায়বিচার এর  দাবি, প্রায়ই তার মুখের উপর একটি প্রতিবাদী হাসি ছিল, সর্বোপরি, একজন সেরা প্রাচীন স্কুলে একজন মানবতাবাদী মানুষ ।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ তাকে প্রভাবিত করে ছিল। পশ্চিম রনাঙ্গনে তাঁকে যুদ্ধে যেতে হয়, তার শৈশব পেরিয়ে কৈশোর শেষ না হতেই তাঁকে যুদ্ধে যোগ দিতে হয়। ভীতিকর অভিজ্ঞতা শিখেছিলেন সেখনে, পরে তিনি ইংরেজ দের হাতে বন্দী হন, যুদ্ধ শেষে ১৯৪৫ শে মুক্তি পেয়ে ফিরে আসেন, নিজের গ্রামে। গভীর যুদ্ধোত্তর সময়ের অভিজ্ঞতা মিলিয়েই সাহিত্য রচনা, তার প্রথম কাহিনী "ট্রেন সময়মত এসেছিলো" (১৯৪৯), "পর্যটক আপনি স্পা আসেছেন" (১৯৫০)" এবং অন্যান্য রচনা যা সম্পূর্ণ "প্যাসিফিজম" বা যুদ্ধবিরোধী আদর্শ সাক্ষ্য দেয়, এমনকি পশ্চিম জার্মানীর তৎকালীন অ্যাডেনওয়ার সরকারের সামরিকীকরণের অগ্রগতির  বিরোধিতা করে শীঘ্রই-পুনর্বিবেচনামূলক বিরোধের বিরোধিতা করেছিল। তার বিখ্যাত উপন্যাস "সাড়ে নয়টায়  বিলিয়ার্ড"  যা কোলন শহরের এক আর্কিটেক্ট পরিবার হেনরিখ ফাহমেল এর ঘটনা নিয়ে লেখা  এবং পরবর্তীতে সেই পরিবারের দুর্দশার  কথা সম্বলিত ফ্যাসিবাদ সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি তিক্ত কাহিনী রচনা করেন, যা ছিল বিশ্বকে জানাতে প্রয়োজনীয় একটি আত্মত্যাগের দৃষ্টিকোণ থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও ফ্যাসিবাদ নিয়ে একটি তিক্ত গণনা।

তিনি তার নিজের খ্রিস্টান বিশ্বাসের সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক লড়াই করেছেন, এবং বিশেষত ক্যাথলিক পাদরীবর্গের সঙ্গে: ক্যাথলিক গির্জা, যা তিনি তাদের দাম্ভিকতা এবং ভণ্ডামির নিন্দা করে চার্চের বিশ্বাস থেকে পদত্যাগ করেন ১৯৫৮ তে একটি লেখার মাধ্যমে "একটি ইয়াং ক্যাথলিকের চিঠি" মধ্যে স্পষ্ট করেন এবং ১৯৭৬ সালে চার্চের সাথে সমর্ক শেষ করেন।

ব্যোল, এর খ্যাতি, প্রসারিত হয়েছে ১৯৭২ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার এর মাধ্যমে। তিনি তাঁর নোবেল ভাষণে জার্মান ভাষায় বর্ননা করেছেন যে, তিনি বাদামী অতীতের (নাৎসি অতীতের)  লজ্জা থেকে সরে গেছেন: "এই রেফারেলের মধ্যে বাকি অংশ এই ভাবে উপাদানটিতে ফিরেছে, এই উপাদানটি ধুলো পূর্ণ যে দরজা হতে অনুভূত, এখনও বোঝা কঠিন। "

ওই বছরের জানুয়ারি মাসে স্পিগেল পত্রিকায় লেখেন "উলরিকে কি নিরাপদ" যার মধ্যে তিনি বাদে-মাইন্হোফ গ্রুপের সাথে সক্ষতা প্রকাশ করেন এবং বাদে-মাইন্হোফ জন্য একটি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। তিনি অশ্লীল স্প্রিঙ্গের প্রেস কে আক্রমণ করে বলেন  "অশ্লীলতা হলো নগ্ন ফ্যাসিবাদ, ঘৃণা, এই ব্যবস্থার অবসান গুরত্বপূর্ণ" প্রতিবেদন প্রধানত "বিল্ড" পত্রিকাকে ও তিনি ছাড় দেন নাই। একসময় হামবুর্গ খবর পত্রিকা একটি পণ্য ভালো এত তোলপাড় তৈরি করেছে: মুষ্টিবদ্ধ হিংস্র রাজনীতি ও সাংবাদিকতার  আক্রমণ করে এমনকি তাঁকে একজন "বাম ফ্যাসিস্টদের" যাদের নাৎসি আধ্যাত্মিক প্রেস এর সঙ্গে সক্ষতা ছিল।  একসময় তার বিরোধীদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে ওঠে, তার বন্ধু ও সমর্থকদের সংখ্যা প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়।

মাত্র কয়েকদিন আগে একটা হাইনরিখ ব্যোল এর চিঠি প্রকাশিত হয় যা তিনি  "রেড আর্মি ফ্রাকশন" এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হরস্ট মাহেলারের  কাছে লিখেছিলেন চিঠিতে বেরিয়ে আসে যে তিনি ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারী তে  উদারবাদ ও ভালোমানুষি সেজে  কারাদণ্ডের অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করেছিলেন। ব্যোল অহিংস এবং এইভাবে আর এ এফ  এর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরেন : "শতাব্দী ধরে, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে মানুষ সুখী করার প্রচেষ্টা, অনেক লক্ষ লক্ষ জীবন খরচ আছে ... তাদের নিজস্ব স্বাধীনতা pursuit অন্যদের স্বাধীনতা বিপদ হতে হবে না। অন্যথায় এই সাধনা একনায়কতন্ত্র এবং সমস্ত স্বাধীনতার মৃত্যু সরাসরি নেতৃত্ব করে। "

১৯৭১ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত হাইনরিখ ব্যোল পেন ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি ছিলেন এবং সেসময় তিনি সারা বিশ্বের অগণিত লেখক দেরকে, যারা কারারুদ্ধ বা মৃত্যুর হুমকির সম্মুখীন ছিলেন।  রাশিয়ার অহিংস ও মানবাধিকার লেখন  লেভ কোপ্লেলেভের সাথে তাঁর চিঠিপত্র বিনিময় এই ব্যাপারে স্বাক্ষর বহন করে। হাইনরিখ ব্যোল যেমন একদিকে একজন নৈতিক মানবাধিকার সমর্থ ছিলেন তেমনি   দারুণভাবে গণতন্ত্রে সমর্থক ও একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে খর্গ হাতে তুলে নেন। 

অনুবাদঃ মোনাজ হক

 

 
 


 


 


 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ