২৩ মে ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ০৪ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২২জানু–২৮জানু ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 04 issue: Berlin, Monday 22Jan-28Jan 2018

সংকটপূর্ণ এলাকায় জার্মানির অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে

সরকার গড়ার আলোচনার প্রস্তুতিপর্বে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-01-24   সময়ঃ 00:04:39 পাঠক সংখ্যাঃ 100

জার্মানিতে সরকার গড়ার উদ্যোগের মাঝেই অস্ত্র রপ্তানি নিয়ে কিছু তথ্য নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে৷ বিগত মহাজোট সরকারের আমলে সার্বিকভাবে অস্ত্র রপ্তানি কমলেও সংকটপূর্ণ এলাকায় তার পরিমাণ বেড়েছে৷

জার্মানির সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দল নীতিগতভাবে বিদেশে অস্ত্র বিক্রির ব্যবসায় রাশ টানার পক্ষে৷ ২০১৩ সালেই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল৷ বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ন্যাটো ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সহযোগী দেশ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য সংকটপূর্ণ অঞ্চলে অস্ত্র সরবরাহের প্রশ্নে সেই সংশয়ের মাত্রা আরও বেশি৷ অথচ গত ৪ বছরে মহাজোট সরকার তার আগের সরকারের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি অস্ত্র রপ্তানি অনুমোদন করেছে৷ বিশেষ করে সহযোগী নয় এমন দেশে অস্ত্র রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে৷ তবে সামগ্রিকভাবে অস্ত্র রপ্তানি ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে৷


সরকার গড়ার আলোচনার প্রস্তুতিপর্বে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ নিয়ে জল্পনাকল্পনা চলছে৷ জার্মানির বামপন্থি দল ‘ডি লিংকে' অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের কাছে অস্ত্র রপ্তানি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছিল৷ সেই তথ্যই এআরডি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও সংবাদ সংস্থা ডিপিএ-র হাতে আসে৷


নতুন মহাজোট গড়ার পথে এসপিডি ও ইউনিয়ন শিবির আগেই অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে রাশ টানার প্রশ্নে ঐকমত্যে পৌঁছেছে, যদিও বিষয়টি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়৷ নতুন তথ্য-পরিসংখ্যান প্রকাশের ফলে তাদের উপর চাপ আরও বেড়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে৷


বিশ্বের বিভিন্ন চলমান সংকটে জার্মানির অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়৷ সেই প্রেক্ষাপটে এসপিডি দল ইয়েমেন যুদ্ধে জড়িত সব দেশে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করতে সমর্থ হয়েছে৷

 


তা সত্ত্বেও মিশর, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৭ সালে জার্মান অস্ত্র আমদানির সেরা ১০টি দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে৷ বিশেষ করে ইয়েমেনে সৌদি আরবের সামরিক তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশকে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিতর্কিত৷ তাছাড়া এই দেশগুলিতে লাগাতার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও সমালোচনার আরেকটি কারণ৷

 

 

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি); DW



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ