২৩ মে ২০১৮ ইং

সিঙ্গাপুরে ‘ফিলিস্তিনিদের বীরের' তথ্যচিত্রের প্রদর্শনী নিষিদ্ধ

মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়াতে পারে আশঙ্কা থেকে প্রদর্শনী নিষিদ্ধ করা হয়েছে

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-02-04   সময়ঃ 07:28:52 পাঠক সংখ্যাঃ 113

ফিলিস্তিনি কিশোরীর ইসরায়েলি সেনাদের চড় দেয়ার ঘটনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র আজ প্রদর্শনীর কথা ছিল সিঙ্গাপুর-ফিলিস্তিন চলচ্চিত্র উৎসবে৷ কিন্তু মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছড়াতে পারে আশঙ্কা থেকে তথ্যচিত্রটির প্রদর্শনী নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ‘‘এই তথ্যচিত্রে এমন বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে, যা আমাদের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভাজনের জন্ম দেবে৷'' সিঙ্গাপুরের ৫৬ লাখ অধিবাসী চীনের আদিবাসী গোষ্ঠী৷ এছাড়া সেখানে মুসলিম মালয় এবং সংখ্যালঘু ভারতীয়ও রয়েছে৷ দেশটিতে ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়ায়– এমন কোনো কিছু প্রদর্শনের ব্যাপারে সেখানে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে৷

সিঙ্গাপুর-ফিলিস্তিন চলচ্চিত্র উৎসবে ফিলিস্তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের চলচ্চিত্রগুলোর প্রদর্শন হয়৷ ২০১৬ সাল থেকে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত না হলেও বাকি আর যে চারটি ছবি প্রদর্শনের কথা ছিল, সেগুলো নির্দিষ্ট সময়ে দেখানো হচ্ছে আজ৷

যে তথ্যচিত্রটি নিষিদ্ধ হয়েছে, তাতে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী দুই কিশোরীর কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে৷ তাদের একজন আহেদ তামিমিকে মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েলি সেনাদের চড় মারার কারণে গ্রেফতার করা হয়৷ ২৯শে ডিসেম্বর জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করার প্রতিবাদে পশ্চিম তীরে বিক্ষোভ করছিল ফিলিস্তিনিরা৷ এ সময় ফিলিস্তিনের সমাজকর্মী তামিমির পরিবারের এক সদস্যের মাথায় গুলি করে ইসরায়েলি সেনারা৷ এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে এক পর্যায়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দু'জন ইসরায়েলি সেনাকে কয়েক দফায় চড় দেন তামিমি৷ এ কারণে তাকে ‘ফিলিস্তিনিদের বীর' উপাধি দিয়েছে ফিলিস্তিনিরা৷ ইসরায়েলি সেনাদের হয়রানিসহ পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে তামিমির বিরুদ্ধে৷

সিঙ্গাপুরের ইনফোকম মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, ‘‘তথ্যচিত্রটিতে যেভাবে কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, তা জ্বালাময়ী, এর বক্তব্য বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়াতে পারে৷''

এদিকে, চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক আদেলা ফো সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান জানান এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন না৷ তবে তিনি এ-ও জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় তিনি হতাশ এবং মর্মাহত৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ