২৫ এপ্রিল ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ১২ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ১৯মার্চ –২৫মার্চ ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 12 issue: Berlin, Monday 19Mar-25Mar 2018

অ্যামেরিকা-ইউরোপ বাণিজ্য যুদ্ধ আসন্ন?

জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে অ্যামেরিকার বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-03-21   সময়ঃ 01:47:28 পাঠক সংখ্যাঃ 126

শুধু চীন নয়, ইউরোপ তথা বাকি বিশ্বের সঙ্গেও বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত অ্যামেরিকা৷ জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে সে দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী এমন বার্তাই দিলেন৷ পালটা পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত ইইউ৷

আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে জি-টোয়েন্টি দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনের শেষে স্টিভেন মেনুশিন বলেছেন, তাঁর দেশ বাণিজ্য যুদ্ধ না চাইলেও তেমন পরিস্থিতি এলে ভয় পাবে না৷ তাঁর মতে, মার্কিন স্বার্থ বজায় রেখেই মুক্ত ও ন্যায্য কাঠামোয় পারস্পরিক বাণিজ্য চায় অ্যামেরিকা৷ তবে তার মধ্যে যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে৷

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির উপর শুল্ক চাপাতে বদ্ধপরিকর ট্রাম্প প্রশাসন৷ জি-টোয়েন্টি গোষ্ঠীর বাকি দেশগুলি এমন মনোভাব নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছে৷ অ্যামেরিকার এই নীতির ফলে মুক্ত বাণিজ্যের কাঠামোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে৷ আপাতত এই প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনকে কোণঠাসা না করতে সম্মেলনে অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে কোনো নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়নি৷ তবে চূড়ান্ত বিবৃতিতে অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বেড়ে চলা উত্তেজনার উল্লেখ করা হয়েছে৷ ফলে মধ্যকালীন ভিত্তিতে সার্বিক প্রবৃদ্ধি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে৷ পারস্পরিক সংলাপের ভিত্তিতে ২০২০ সালের মধ্যে সার্বিক সমাধানসূত্রে আসার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে৷

মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী সম্মেলনে উলটে চীনের উপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন৷ তিনি বলেন, চীন যেভাবে জি-টোয়েন্টি দেশগুলির বাজারে প্রায় অবাধ প্রবেশের সুযোগ ভোগ করে আসছে, সে দেশের বাজারেও একই রকম সুযোগ চায় বাকি দেশগুলি৷ উল্লেখ্য, চীন ও অ্যামেরিকার মধ্যে অর্থনৈতিক সংঘাত ঘটলে সামগ্রিকভাবে বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

এমন উত্তেজনা যে শেষ পর্যন্ত অ্যামেরিকার স্বার্থে আঘাত হানতে পারে, সেই উপলব্ধি কিছুটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী ব্রুনো ল্য মেয়ার ও মেনুশিন এ বিষয়ে আলোচনায় বসার পর ফ্রান্সের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এমন ইতিবাচক মনোভাবের উল্লেখ করা হয়েছে৷ ফ্রান্সসহ ইউরোপের অনেক দেশ অ্যামেরিকাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে চীনে মাত্রাতিরিক্ত উৎপাদনের ফলেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ তাই ইউরোপে মার্কিন সহযোগীদের উপর বাড়তি বোঝা চাপানোর কোনো অর্থ নেই৷

এর পরেও অ্যামেরিকা সার্বিকভাবে আমদানির উপর শুল্ক চাপালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না৷ অর্থনীতি ও আর্থিক বিষয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইইউ কমিশনর পিয়ের মস্কোভিসি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইইউ-ও বাণিজ্য যুদ্ধ চায় না৷ তবে সংলাপে কাজ না হলে ইইউ প্রয়োজনে প্রতিক্রিয়া দেখাতে প্রস্তুত৷ পালটা পদক্ষেপ স্থির করা হয়ে গেছে বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি৷ উল্লেখ্য, অ্যামাজন, অ্যাপেল, ফেসবুক ও গুগলের মতো মার্কিন কোম্পানির উপর ডিজিটাল কর চাপানোর সিদ্ধান্ত আপাতত মুলতুবি রাখছে ইইউ৷

সুমেরু সাগরেও চীনের বাণিজ্য!

বিশ্ব বাণিজ্যে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা

বিশেষ করে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে আরও দ্রুত ও নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে তায় চীন৷ তার অবকাঠামো গড়তে বেশ কয়েকটি দেশে বিশাল মাত্রায় বিনিয়োগ করছে চীন৷ ফিনল্যান্ড থেকে রেলপথে পণ্য পরিবহণের পরীক্ষামূলক যাত্রা তার একটা দৃষ্টান্ত৷ সুমেরু সাগরে চীনের পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশিত শ্বেতপত্রে সেই ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে৷

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ